বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ না করলে কেউ বাঁচতাম না-স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানা খান – pflix.net
Wed. Jul 17th, 2019

pflix.net

Entertainment Ekhane

বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ না করলে কেউ বাঁচতাম না-স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানা খান

1 min read

স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানা খান। ছবি: সংগৃহীতস্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানা খান। ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়া বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটিতে ছিলেন স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানা খান।

রেজওয়ানা খান  বললেন গতকালের দুর্ঘটনার কথা। তিনি বুধবারের দুর্ঘটনার কথা জানালেন। তিনি বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা মহান। যখন বুঝলাম বেঁচে আছি, তখন মনে হলো দ্বিতীয় জন্ম পেলাম। আবহাওয়া খারাপ ছিল, কিন্তু দুর্ঘটনার আগ পর্যন্ত কিছুই বুঝিনি। দুর্ঘটনার পরপর বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ না করলে হয়তো কেউ আর বাঁচতে পারতাম না।’ তাঁর নাকে বেশ কয়েকটি সেলাই লেগেছে। আহত হওয়ার পর থেকে সারা শরীরে ব্যথা। এখন অবশ্য কিছুটা ভালো। শুক্রবার দেশে ফিরতে পারবেন বলে আশা করছেন।

রেজওয়ানা জানান, তিনি বিমানের পেছনের দিকে বসে ছিলেন। একটি দরজা খোলার চেষ্টা করছিলেন। বিমানের বাইরে থেকেও অন্যরা তা খোলার চেষ্টা করছিলেন। এক সময় দরজাটা খুলতে পারেন। চোখে চশমা থাকার কারণে নাকে-মুখে বেশ কয়েকটি জায়গায় কেটে যায়। তাতে সেলাই দিতে হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অল্পের জন্য যাত্রীদের প্রাণ রক্ষা হলেও উড়োজাহাজটির পাইলট শামীম আহত হন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশের ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ যাত্রী নিয়ে ইয়াঙ্গুন যাচ্ছিল। সন্ধ্যায় ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। ওই উড়োজাহাজে এক শিশুসহ ২৯ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট ও ২ জন কেবিন ক্রু ছিলেন।

রেজওয়ানা ব্যবসায়িক কাজে ইয়াঙ্গুন যাচ্ছিলেন। সেখানে তাঁর কোম্পানির ব্যবসায়িক পার্টনার আছেন। দুর্ঘটনার পরপরই আহত যাত্রীদের প্রথমে জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে রেজওয়ানা বর্তমানে এয়ার ওয়ে ইউ নামক একটি আন্তর্জাতিক হাসপাতালে আছেন। রেজওয়ানা জানালেন, ফ্লাইটটিতে অনেকেই পরিচিত ছিলেন।

ঘটনার আকস্মিকতায় মা ও মেয়ে মুষড়ে পড়েছেন বলে জানালেন রেজওয়ানা।

রেজওয়ানা উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্সের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। রেজওয়ানা জানান, ঘটনার আকস্মিকতায় প্রথমে কোথায় কোথায় ব্যথা পেয়েছেন তা তেমন ভাবে বুঝতে না পারলেও এখন বুঝতে পারছেন, সারা শরীরে ব্যথা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like Us On Facebook

Facebook Pagelike Widget
Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
Shares